যারা হিদায়াত লাভে ধন্য হবেন



মহাগ্রন্থ আল কুরআনের শরুতেই মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন : ذلك الكتاب لا ريب فيه هدى للمتقين অর্থাৎ, ইহা ঐ গ্রন্থ যার মধ্যে কোন সন্দেহ-সংশয়ের অবকাশ নেই, ধর্মভীরুদের জন্য এ গ্রন্থ পথ নির্দেশ। (সূরা আল বাক্বারা, আয়াত-2)

উল্লিখিত আয়োতে কারীমার মাধ্যমে আমরা পরিষ্কার জানতে পারলাম যে, এই কুরআন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হওয়ার ব্যাপারে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই এবং ইহার মধ্যে যা আলোচিত হয়েছে তাও সন্দেহাতীত ও নির্ভুল। সাথে সাথে আল্লাহ পাক বলছেন যে, এটি হচ্ছে মুত্তাকীদের জন্য পথ নির্দেশ। 

অর্থাৎ যাদের মধ্যে তাকওয়া তথা আল্লাহ ভীতি রয়েছে কেবল  তারাই কুরআনের মাধ্যমে হিদায়াত তথা সঠিক পথের সন্ধান পাবে।


মুত্তাকী কারাঃ

মুত্তাকীদের পরিচয় দিয়ত গিয়ে ইমাম ইবনু কাসীর (রহঃ) তাঁর বিখ্যাত তাফসীর গ্রন্থ তাফসীরে ইবনে কাসীরে কয়েকটি হাদীস উল্লেখ করেছেন। যেগুলির তিনি সনদ ও সূত্র উল্লেখ করেননি। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, মুত্তাকীন তারাই যারা আল্লাহর উপর বিশ্বাস করে শিরক হতে দূরে থাকে এবং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলার নির্দেশাবলী মেনে চলে। অন্য এক বর্ণনায় আছে যে, মুত্তাকীন তারাই যারা আল্লাহর শাস্তিতকে ভয় করে হিদায়াাতকে পরিত্যাগ করেনা এবং তাঁর রাহমাতের আশা রেখে তার তরফ থেকে অবতীর্ণ কিতাবের প্রতি বিশ্বাস করে। কাতাদাহ (রহঃ) বলেন যে, মুত্তাকীন তারাই যাদের সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা আলোচ্য আয়াতের পরে বলেনঃ

“যারা অদৃশ্য বিষয়গুলিতে বিশ্বাস করে এবং যথা নিয়মে সালাত কায়েম করে আর আমি তাদেরকে যে সব রিয্ক দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করে। (সূরা বাকাক্বারা, আয়াত 3-4)


ইমাম ইবন জাররীর (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, মুত্তাকীনদের মধ্যে একত্রে জমা হয়। জামে’ তিরমিযী ও সুনান ইব্ন মাজাহয় আতীয়াহ সা’দী (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূীল (স) বলেছেন, ‘বান্দা প্রকৃত মুত্তাকী হতে পারেনা যে পর্যন্ত না সে ঐ সমুদয় জিনিস ছেড়ে দেয় যাতে কোন দোষ নেই এই ভয়ে যে, দোষের মধ্যে যেন না পড়ে। (তিরমিযী 7/147, ইব্ন মাজাহ 2/1409)



Visit Our English Site Click Here 



Thanks for reading. جزاك الله خيرا

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url