সলাতের বাইরে ও ভিতরে তিলাওয়াতকৃত সূরা বা আয়াতের জবাব

 

 


কুরআনুল কারীমের অনেক আয়াত রয়েছে, যেগুলি তিলাওয়াত করলে বা

শ্রবণ করলে সেগুলির জবাব বা উত্তর দিতে হয়। এ ব্যাপারে শায়খ আলবানী (রহঃ) বলেন, “এ
নিয়মটি উন্মুক্ত। তাই সলাতের ভিতর ও বাহির উভয় অবস্থায় এবং ফরয ও নফল উভয় সলাত এর
অন্তর্ভূক্ত “



অর্থাৎ, যে কোন সালাতে তিলাওয়াত করলে বা তিলাওয়াত করতে শুনলে হাদীছের নির্দেশানুযায়ী
উহার জবাব দিতে হবে। অনুরূপভাবে কেউ সালাতের বাইরে তিলাওয়াত করলেও উহার জবাব দিতে
হবে।



যেসব সূরা বা আয়াত পড়লে বা শুনলে জবাব দিতে
হয়ঃ



(১)سُورَةُ الْفَاتِحَة  এর শেষে বলতে হবে آمِين অর্থ-আল্লাহ্ আপনি কবুল করুন। (ছহীহ বুখারী,
হা/৪৪৭৫)



(২) سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ
الْأَعْلَى
এর জবাবে রাসূলুল্লাহ্ (ছাঃ)  سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلَى বলতেন (আহমদ, হা/২০৬৬; মিশকাত, হা/৮৫৯, হাদীছ ছহীহ্)



() রাসূলুল্লাহ্ (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি সূরা ক্বিয়ামাহ্ এর শেষে পড়বে أَلَيْسَ ذَلِكَ بِقَادِرٍ
عَلَى أَنْ يُحْيِيَ الْمَوْتَى
সে যেন বলে سُبْحَانَكَ فَبَلَى অর্থ-আমি তোমার পবিত্রতা সহকারে বলছি, হ্যাঁ (আবূ দাঊদ, হা/৮৮৪; মিশকাত, হা/৮৬০)



() রাসূলুল্লাহ্ (ছাঃ) সূরা আর্ রাহমানের فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا
تُكَذِّبَانِ
এর জবাবে বলত বলেন, لَا
بِشَيْئٍ مِنْ نِعَامِكَ رَبَّنَا نُكَذِّبُ فَلَكَ الْحَمْدُ
অর্থ-হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা তোমার কোন নিআমত অস্বীকার করি না, আর প্রশংসা একমাত্র তোমার জন্যই



উল্লেখ্য যে, সূরা ত্বীন এর শেষে বালা ওয়া আনা  আলা যালিকা মিনাশ শাহিদীনএবং সূরা মুরসালাত এর শেষে “আমান্না
বিল্লাহ্” ও সূরা বাক্বারার শেষে “আমীন” বলার প্রমাণে পেশকৃত হাদীছ য‘ঈফ। (আবূ
দাঊদ,হা/৮৮৪; মিশকাত,হা/৮৬০)



অনুরূপভাবে ’’اَللَّهُمَّ
حَاسِبْنِيْ حِسَابًا يَّسِيْرًا
’’ অর্থ-হে আল্লাহ্! আমার হিসাব সহজ করুন।-দো‘আটি সূরা গাশিয়ার সাথে খাছ নয় বরং
সলাতের মধ্যে যে কোন দো‘আর স্থানে পড়া যায়। (আহমাদ, হা/২৪২৬১, মিশকাত, হা/৫৫৬২)



 Visit Our English Site Click Here 


Thanks for reading. جزاك الله خيرا

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url