ইসরা ও মেরাজ
মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয়তম রাসূল (স) কে যত মুজিয়া দিয়েছেন সেগুলির অন্যতম এক মুজিয়া হলো ইসরা ও মি’রাজ। “ইসরা” অর্থ “নৈশ-ভ্রমন” বা “রাত্রিকালে ভ্রমণ করানো” আর ‘মিরাজ’ অর্থ ‘ঊদ্ধারোহণ’ বা ‘ঊদ্ধারোহণের যন্ত্র’। এ যন্ত্রের প্রকৃত সম্পর্কে হাদীসে শুধু একটুকু বলা হয়েছে যে, এর সৌন্দর্য বর্ণনাতীত। তিনি মি’রাজে উঠে ঊর্ধ্বে গমন করেন এবং একে একে সাত আসমান অতিক্রম করেন। প্রথম আসমানে আদম (আ), দ্বিতীয় আসমানে ইয়াহইয়া (আ) ও ঈসা (আ), তৃতীয় আসমানে ইউসুফ (আ), চতুর্থ আসমানে ইদরীস (আ), পঞ্চম আসমানে হারূন (আ), ষষ্ঠ আসমানে মুসা (আ) এবং সপ্তম আসমানে ইবরাহীম (আ)-এর সাথে তাঁর সাক্ষাত, সালাম ও দুআ বিনিময় হয়। এরপর তিনি সৃষ্টিজগতের শেষ প্রান্ত “সিদরাতুল মুনতাহা” গমন করেন। তথা থেকে তিনি জান্নাত, জাহান্নাম ও মহান আল্লাহর অন্যান্য মহান সৃষ্টি পরিদর্শন করেন ও তাঁর সান্নিধ্য লাভ করেন। মহান আল্লাহর তাঁর উম্মাতের জন্য দৈনিক ৫০ ওয়াক্ত সালাতের বিধান প্রদান করেন। ফিরে আসার সময় মূসা (আ)-এর সাথে সাক্ষাত হলে তিনি প্রশ্ন করেন, আল্লাহ আপনাকে কী নির্দেশ দিলেন? তিনি বলেন, তিনি আমাকে দৈনিক ৫০ ওয়াক্ত সালাতের বিধান দিয়েছেন। মুসা (আ) বলেন, আমি আমার উম্মাতের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আপনার উম্মাত এ বিধান মানতে পারবে না, আপনি মহান রবের কাছে ফিরে গিয়ে বিধানটি সহজ করার আবেদন করুন। রাসূল (স) তাঁর মহান রব্বের কাছে ফিরে যেয়ে আবেদন করেন। এতে আল্লাহর দশ রাক‘আত কমিয়ে দেন। মূসা (আ) এবারো আপত্তি করেন এবং আরো সহজ করার জন্য আবেদনের পরামর্শ দেন। এভাবে মূসা (আ)-এর পরামর্শে রাসূল (স) বারংবার আল্লাহর দরবারে কমানোর আবেদন করতে থাকেন এবং আল্লাহ প্রতিবার ১০ ওয়াক্ত করে কমাতে থাকেন। সর্বশেষ দশ থেকে কমিয়ে তিনি ৫ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেন এবং বলেন, আমার নির্দেশ বলবত থাকল, আমি আমার বান্দাদেরকে দশ গুণ সাওয়াব দিব। তারা ৫ ওয়াক্ত সালাতে ৫০ ওয়াক্তের সাওয়াব পাবে। এরপর রাসূল (ছা) মিরাজ থেকে প্রত্যাবর্তন করেন।
মিরাজে গমন ও প্রত্যাবর্তনের সময় এবং জান্নাত-জাহান্নামে রাসূল (ছা) কে বিভিন্ন পাপ ও পুন্যের বিভিন্ন প্রকার শাস্তি ও পুরুস্কার দেখানো হয়। এক পর্যায়ে তিনি অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর সুগন্ধের ঘ্রাণ লাভ করেন। তিনি বলেন, জিবরাঈল, এটি কিসের সুঘ্রাণ। জিবরাঈল বলেন, এ হলো ফিরাউনের কন্যার চুল আঁচড়ানো দাসী ও তার সন্তানদের সুগন্ধ। দাসীটি ঈমানদার ছিল। একবার চুল আঁচড়ানোর সময় চিরুনী পড়ে গেলে সে বিসমিল্লাহ বলে তা তুলে নেয়। ফিরাউন-কন্যা বলে, আমার পিতার নাম নিয়েই না কর্ম শুরু করতে হবে! দাসীটি বলে, তোমার, আমার ও তোমার পিতার রব্ব আল্লাহর নামে। ফিরাউন-কন্যা ক্রোধান্বিত হয়ে তার পিতাকে বিষয়টি জানায়। ফিরাউন উক্ত দাসীকে তাওহীদ ত্যাগ করতে চাপ দেয়। কোনো প্রকার ভয়ভীতিতে দাসীটি বিচলিত হয় না। তখন ফিরাউন অগ্নিকুন্ডু তৈরি করে দাসীকে বলে, তুমি যদি আমার ধর্মে ফিরে না আস তবে তোমার সন্তানগণসহ তোমাকে আগুনে পুড়িয়ে মারা হবে। দাসীটি ঈমানের উপর অবিচল থাকে। তখন একে একে তার সন্তানদেরকে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়। সর্বশেষ তার কোলে ছিল দুগ্ধপোষ্য একটি শিশু। শিশুটির দিকে তাকিয়ে মায়ের মন দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তখন শিশুটির মুখে আল্লাহ কথা দেন। সে তার মাকে বলে, মা দ্বিধা করো না, তুমি তো সত্যের উপর রয়েছে। আখিরাতের অনন্ত কষ্ট থেকে বাঁচতে দুনিয়ার কয়েক মুহূর্তের কষ্ট কিছুই নয়। দাসীটি তখন শিশুটিকে নিয়ে আগুন বরণ করে নেয়। তাদেরকে আল্লাহ আখিরাতে এরূপ মহান মর্যাদা দিয়েছেন।
মিরাজে গিয়ে রাসূল (স) যা দেখলেন:
(১) রাসূল (ছাঃ) দেখেন যে, কিছু মানুষ শয়ন করে রয়েছে এবং বিশাল পাথর দিয়ে আঘাত করে তাদের মাথা চুর্ণবিচুর্ণ করা হচ্ছে। কিছুক্ষণের মধ্যে আবার মাথাগুলি স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে এবং পুনরায় তাদেরকে এভাবে আঘাত করা হচ্ছে। কিছুক্ষণের মধ্যে আবার মাথাগুলি স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে এবং পুনরায় তাদেরকে এভাবে আঘাত করা হচ্ছে। জিবরাঈল (আ) বলেন, এরা হলো আপনার উম্মাতের ঐ সব মানুষ, যারা ফরস সালাত যথাসময়ে আদায়ে অবহেলা করে, যাদের মস্তিষ্ক ফরয সালাত আদায়ের চিন্তা না করে অন্য চিন্তায় রত থাকে।
রাসূল (ছাঃ) দেখেন যে, একব্যক্তি রক্তের নদীতে সাতার কাটছে এবং তাকে বড় বড় পাথর জোর করে গেলানো হচ্ছে। জিবরাঈল বলেন, এ হলো সূদ খোরের শাস্তি। তিনি আরো দেখেন যে, কিছু মানুষের হাতে পিতলে নখর লাগানো এবং তার এ নখগুলি দিয়ে প্রচন্ড জোরে তাদের মুখমন্ডল ও বক্ষদেশ আঁচড়ে রক্তাক্ত করছে। জিবরাঈল (আ) জানান যে, এরা পৃথিবীতে মানুষদের গীবতে লিপ্ত হতো।
এভাবে তিনি এতিমের সম্পদ ভক্ষণকারী, গীবতকারী, মানুষের মধ্যে শত্রুতাসৃষ্টিকারী, ব্যভিচারী ও অন্যান্য পাপীদের কবরের ও জাহান্নামের শাস্তির প্রক্রিয়া প্রত্যক্ষ করেন।
অনুরূপভাবে আল্লাহর যিকর, তাহাজ্জুদ, তাহিয়্যাতুল ওযূ, আল্লাহর পথে জিহাদ ও অন্যান্য ইবাদতের পুরস্কার প্রতক্ষ্ করেন।
রাসূল (ছা) মিরাজের রাত্রিতে আল্লাহকে দেখেছিলেন কি না সে বিষয়ে সাহাবীগণের যুগ থেকে মতভেদ রয়েছে। সূরা নাজমের ব্যাখ্যায় হযরত আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা) বলেছেন যে, রাসূল (ছা) তাঁর অন্তর দিয়ে দুবার তার রব্বকে দেখেছিলেন। এ মতের অনুসারী সাহাবী-তাবিয়ীগণ বলেছেন যে, মহান আল্লাহ মূসা (আ)-কে তাঁর সাথে কথা বলার মুজিযা দিয়েছিলেন এবং মুহাম্মাদ (ছাঃ) কে তাঁর দর্শনের মুজিযা দিয়েছিলেন। পক্ষান্তরে হযরত আয়েশা ও অন্যান্য সাহাবী বলেছেন যে, তিনি আল্লাহকে দেখেন নি।
সহীহ বুখারী সংকলিত হাদসে প্রসিদ্ধ তাবিয়ী মাসরূক বলেন: “আমি আয়েশা (রা)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি বলেন, হে আবূ আয়েশা (মাসরূক), তিনটি কথার যে কোনো একটি কথা যদি কেউ বলে তবে সে আল্লাহ নামে জঘন্য মিথ্যা বলার অপরাধে অপরাধী হবে। আমি বললাম: সে কথাগুলি কী কী? তিনি বলেন, যদি কেউ মনে করে যে, মুহাম্মাদ (ছা) তাঁর প্রতিপালককে (আল্লাহকে) দেখেছিলেন তবে সে আল্লাহর নামে জঘন্য মিথ্যাচারী বলে গণ্য হবে। মাসরূক বলেন, আমি তখন হেলান দিয়ে ছিলাম। তাঁর কথায় আমি উঠে বসলাম এবং বললাম: হে মুমিনগণের মাতা, আপনি আমাকে একটু কথা বলতে দিন, আমার আগেই আপনার বক্তব্য শেষ করবেন না। আল্লাহ কি বলেন নি: “সে তো তাকে স্পষ্ট দিগন্তে দেখেছিল” (সূরা তাকবীর : ২৩), নিশ্চয়ই তাকে সে আরেকবার দেখেছিল?” (সূরা নাজম : ১৩)
আয়েশা (রা) বলেন: এ উম্মাতের মধ্যে আমিই সর্বপ্রথম ব্যক্তি যে এ সম্পর্কে রাসূল (ছা) কে জিজ্ঞাসা করেছিল। রাসূল (ছা) উত্তরে বলেন: “এ হলো জিবরীলের কথা। আল্লাহ তাঁকে যে আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন আমি এই দুবার ছাড়া আর কখনো তাঁকে তাঁর সেই প্রকৃত আকৃতিতে দেখি নি। আমি দেখলাম তিনি আকাশ থেকে নেমে আসছেন। তাঁর আকৃতির বিশালত্ব আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী সবকিছু অবরুদ্ধ করে দিচ্ছে।” আয়েশা (রা) বলেন: তুমি কি আল্লাহকে বলতে শোন নি: “তিনি দৃষ্টির অধিগম্য নন, কিন্তু দৃষ্টিশক্তি তাঁর অধিগত; এবং তিনিই সূক্ষ্মদর্শী, সম্যক পরিজ্ঞাত?” (সূরা আন‘আম : ১০৩) তুমি কি বলতে শোন নি?: “কোনো মানুষের জন্যই সম্ভব নয় যে, আল্লাহ তার সাথে কথা বলবেন ওহীর মাধ্যমে ব্যতিরেকে, অথবা পর্দার অন্তরাল ব্যতিরেকে, অথবা এমন দূত প্রেরণ ব্যতিরেকে, যে দূত তার অনুমতিক্রমে তিনি যা চান তা ব্যক্ত করেন, তিনি সমুন্নত, প্রজ্ঞাময়”? (সহীহ্ বুখারী ৩/১১৮১), সহীহ মুসলিম ১/১৫৯)
রাসূল (ছা) প্রভাতের দিকে মক্কায় ফিরে আসেন। আবূ বাকর (রা) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল, আপনি সারারাত কোথায় ছিলেন, আমি রাত্রিবেলায় আপনাবে খুঁজেছিলাম, কিন্তু পাই নি। তিনি তাঁকে মিরাজের কথাত জানান। আবূ বাকর (রা) সর্বান্তকরণে বিশ্বাস করেন। দিনের বেলা রাসূল (ছা) ইসরার বিষয় আবূ জাহল ও অন্যান্য কাফিরকে জানালে তারা তাদের অভ্যাসমত তা অস্বীকার করে। উপরন্তু এ বিষয়কে তারা তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের একটি বড় হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে বলতে থাকে, বাইতুল মাকদিস বা যিরুসালেম শহরে যেতে আসতে আমাদের মাসাধিক কাল সময় লাগে, আর মুহাম্মাদ নাকি রাতারাতি সেখান থেকে ঘুরে এসেছে। কতিপর দুর্বল ঈমান মানুষ তাদের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হয়ে ইসলাম ত্যাগ করে। এক পর্যায়ে কাফিররা রাসূল (ছা) কে অপদস্ত করতে সমবেত হয়ে তাঁকে বাইতুল মাকদিস বা যিরুসালেম নগরীর বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয়ে প্রশ্ন করে। রাত্রিকালে রাসূল (ছা) শহরকে অত ভালভাবে লক্ষ্য করেন নি। তিনি ভীত হয়ে পড়েন। তখন আল্লাহ বাইতুল মাকদিস শহরকে তাঁর সামনে তুলে ধরেন। তিনি কাফিরদের প্রশ্নের উত্তরে শহরের বর্ণনা প্রদান করেন। মক্কাবাসীদের অনেকেই ব্যবসা উপলক্ষ্যে তথায় যাতায়াত করত। তারা অবাক হয়ে বলতে থাকে, বর্ণনা তো হুবহু মিলে যায়। তখন আবূ জাহল ও তার অনুসারীরা বিষয়টিকে মুহাম্মাদ (ছা)-এর যাদু বলে মানুষদেরকে বুঝাতে থাকে।
শুধু আবূ জাহলের সহচরগণই নয়, পরবর্তী হাজার বৎসর যাবৎ অনেকেই বিজ্ঞানের দোহাই দিয়ে বিভিন্নভাবে মিরাজকে অস্বীকার করার বা অপব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছে। অনেকে দাবি করেছে। মিরাজ ছিল একটি স্বপ্ন মাত্র। বিজ্ঞানের দোহাই দিয়ে তারা দাবি করেছে যে, পৃথিবীর উপরে বা বিভিন্ন আসমানে বরফ, আগুন, বিষাক্ত গ্যাস ইত্যাদির স্তর রয়েছে, যেগুলি ভেদ করে কোনো মানুষ যেতে পারে না। কেউ দাবি করেছে মধ্যাকর্ষণ শক্তি অতিক্রম করে যাওয়া সম্ভম নয়।
কুরআন কারীমে আল্লাহ বলেছেন, তিনি তাঁর “বান্দা”-কে মিরাজে নিয়েছিলেন। আর ‘বান্দা’ বলতে আত্মা ও দেহের সমন্বিত মানুষকেই বুঝানো হয়। কুরআন কারীমে বিভিন্ন স্থানে “বান্দা” বলতে দেহ ও আত্মার সমন্বিত জাগ্রত মানুষকেই বুঝানো হয়েছে, ঘুমন্ত মানুষের আত্মাকে কখনো “বান্দা” বলা হয় নি। অগণিত হাদীস থেকে স্পষ্ট যে, মিরা’জ জাগ্রত অবস্থাতেই হয়েছিল। এছাড়া আমরা জানি যে, কাফিরগণ ইসরা ও মি’রাজ অস্বীকার করে এবং একে অসম্ভব বলে দাবি করে। এমনকি কতিপয় দুর্বল ঈমান মুসলিম ইসলাম পরিত্যাগ করে। এ থেকে নিশ্চিতরূপে জানা যায় যে, রাসূল (স) জাগ্রত অবস্থায় দৈহিকভাবে মিরাজ সংঘটিত হওয়ার কথাই বলেছিলেন। নইলে কাফিরদের অস্বীকার করার ও দুর্বল ঈমান মুসলিমদের ঈমান হারানোর কোনো কারণই থাকে না। স্বপ্নে এরূপ নৈশভ্রমণ বা স্বর্গারোহণ কোনো অসম্ভব বা অবাস্তব বিষয় নয় এবং স্বপ্ন দেখার দাবি করলে তাতে অবাক হওয়ার মত কিছু থাকে না। যদি কেউ দাবি করে যে, ঘুমের মধ্যে সে একবার পৃথিবীর পূর্বপ্রান্তে এবং একবার পৃথিবীর পশ্চিম প্রান্তে চলে গিয়েছে, তবে তার দেহ স্বস্থানেই রয়েছে এবং দৈহিক অবস্থার পরিবর্তন হয় নি, তবে কেউ তার এরূপ স্বপ্ন দেখার সম্ভাবনা অস্বীকার করবে না বা এতে অবাকও হবে না।
আধুনিক বিজ্ঞান সুনিশ্চিতভাবে প্রমাণ করেছে যে, জাগ্রত অবস্থায় সশরীরের এরূপ অলৌকিক নৈশভ্রমন ও ঊর্ধ্বারোহণ অসম্ভব নয়। মি’রাজের ঘটনাবলির মধ্যে আরো অনেক বৈজ্ঞানিক মুজিযার সন্ধান পেয়েছেন আধুনিক বিজ্ঞানীরা।
আমরা অনেকে শুধু ২৭ শে রজব আসলে মিরাজ আলোচনা করি। আবার কেউ এ দিনে ও রাতে খাস ইবাদত-বন্দেগী করি। আমরা দেখেছি যে, আল কুরআন ও হাদীসে অগণিত স্থানে মিরাজের বর্ণনা এসেছে, কিন্তু কোথাও তারিখ বলা হয় নি। এ ব্যাপারে অনেক মতভেদ রয়েছে। আর এ রাতের কোন বিশেষ আমল হাদীস থেকে প্রমাণিত নয়।
মিরাজের অন্যতম নেয়ামত হল ৫ ওয়াক্ত সালাত এবং এই সালাত আল্লাহর দেওয়া হাদিয়া। সালাতকে গ্রহণ করলে মিরাজের হাদিয়া গ্রহণ করা হয়। আল্লাহ আমাদেরকে যথারীতি সালাত আদায়ের মাধ্যমে উক্ত হাদিয়া লাভে ধন্য করুন। আ-মী-ন!!
Thanks for reading. جزاك الله خيرا